সরকারি দপ্তর থেকে শুরু করে আত্মীয়-স্বজন বা বন্ধুর পাওনা টাকা আত্মসাৎ, জমি দখল কিংবা ব্যক্তিগত প্রতারণা—নাগরিকরা এখানে লিখে রাখছেন সকল অনিয়মের খতিয়ান। অভিযোগকারীর পরিচয় ১০০% গোপন ও সংরক্ষিত।
আমাদের উদ্দেশ্য: সরকারি সেবায় স্বচ্ছতা এবং ব্যক্তিগত/পারিবারিক আর্থিক ও সম্পত্তি আত্মসাতের বিরুদ্ধে জনস্বার্থিক খতিয়ান তৈরি করা।
কোনো ব্যক্তিগত পরিচয় পাবলিকলি দেখানো হয় না। প্রমাণ ফাইল থাকলে তা নিরাপদে ক্লাউডে সংরক্ষিত থাকে।
সর্বোচ্চ অর্থ আত্মসাৎ, প্রতারণা ও দুর্নীতির অভিযোগ ওঠা শীর্ষ উপজেলাসমূহের র্যাঙ্কিং তালিকা।
স্থান ও দপ্তরের ফিল্টার সিলেক্ট করে প্রমাণাদিসহ অনুসন্ধান করুন
কোন দপ্তরে কত টাকা দাবি করা হয়েছে তার লাইভ ভিজ্যুয়াল প্রগ্রেস চার্ট
বাংলাদেশের সংবিধান ও তথ্য প্রকাশকারী সুরক্ষাকবচ আইনের অধীনে প্ল্যাটফর্মটির আইনি সুরক্ষা ব্যবস্থা
সংবিধানের ৩৯ অনুচ্ছেদ: দেশের নাগরিকের চিন্তা, বিবেকের স্বাধীনতা ও বাক-স্বাধীনতার মৌলিক অধিকার দেওয়া হয়েছে।
সুরক্ষা প্রদান আইন, ২০১১: জনস্বার্থে দুর্নীতির তথ্য প্রকাশকারীকে যেকোনো আইনি ও সামাজিক হয়রানি থেকে সুরক্ষা প্রদান করে।
আইনি ঝুঁকি প্রতিরোধ: ব্যক্তিগত অপবাদ রোধে কোনো ব্যক্তির নাম নেওয়া হয় না এবং সেবার প্রক্রিয়া ও খতিয়ান নথিভুক্ত করা হয়।
এই সাইটে কোনো থার্ড-পার্টি ট্র্যাকিং কুকি, ফেসবুক পিক্সেল বা ব্যবহারকারীর কাঁচা আইপি (Raw IP) সংরক্ষণ করা হয় না। সকল প্রমাণ ফাইল সার্ভারে সেভ হওয়ার পূর্বে ক্লায়েন্ট-সাইড এক্সিফ (EXIF Metadata) মুক্ত করা হয়।
আমরা চাই সরকারি সকল দপ্তরে সরকার-নির্ধারিত খরচে নাগরিক সেবা নিশ্চিত হোক। কাউকে ব্যক্তিগতভাবে অপমান বা হেয় প্রতিপন্ন করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়; বরং নাগরিক অধিকার, প্রাতিষ্ঠানিক স্বচ্ছতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাই আমাদের একমাত্র অঙ্গীকার।
প্ল্যাটফর্মের কার্যপদ্ধতি, বেনামী নিরাপত্তা ও আইনি সুরক্ষা সম্পর্কিত জরুরি তথ্যাবলী